Wednesday, August 21, 2019

কাশ্মীর ইস্যুতে এবার মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিলেন ট্রাম্প

কাশ্মীর ইস্যুতে প্রয়োজনে মধ্যস্থতা করতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের কাছে এমন ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। শিগগিরই তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আবারও কাশ্মীর ইস্যুতে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘ভৌগোলিকভাবে কাশ্মীরের অবস্থান খুব জটিল। সেখানে হিন্দু, মুসলিম সবাই বসবাস করে। আমি বলব না যে তারা এখন একসঙ্গে খুব ভালো আছে।’ বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে।

এর আগে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত ও পাকিস্তানকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছিল আমেরিকা। একই বিষয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে টেলিফোনও করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। টেলিফোনে জম্মু ও কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে ‘নমনীয় ভাষা’ ব্যবহার করতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে বলা হয়। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ইমরান খানকে ফোন করেন ট্রাম্প। সোমবার ট্রাম্পের এ ফোনালাপের কথা জানিয়েছে এনডিটিভি।
Delight

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপের আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও ফোনালাপ হয় ট্রাম্পের। প্রায় ৩০ মিনিট স্থায়ী সে কথোপকথনে পাকিস্তানি নেতাদের ‘চরম বাগ্‌বিতণ্ডা এবং ভারতবিরোধী সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার’ বিষয়টি উত্থাপন করেন মোদি।

হোয়াইট হাউস বলছে, ফোনালাপের সময় ট্রাম্প জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে ইমরানকে নমনীয় ভাষা ব্যবহার করতে বলেছেন। ট্রাম্প উভয় পক্ষকেই সংযত হতে আহ্বান জানিয়েছেন।

ট্রাম্প ও ইমরান খান উভয়েই যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে কাজ করতে সম্মত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) এক বিবৃতিতে বলেছে, ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপচারিতায় মোদি সন্ত্রাস ও সহিংসতামুক্ত পরিবেশ তৈরি এবং আন্তসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ রোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই পরিস্থিতিতে ভারতবিরোধী সহিংস বক্তব্য এবং উসকানি আঞ্চলিক শান্তির জন্য কল্যাণকর নয়।

৫ আগস্ট ভারতের বর্তমান বিজেপিশাসিত কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে দ্বিখণ্ডিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। রাজ্যটিকে দ্বিখণ্ডিত করে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ নামে দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সৃষ্টির সিদ্ধান্ত হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ভারতীয় হাইকমিশনারকে বহিষ্কার করে পাকিস্তান। নয়াদিল্লির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক হ্রাস করার সিদ্ধান্ত জানায় তারা। ভারত অবশ্য জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পদক্ষেপকে একটি অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে বিবেচনা করছে। তাদের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে ‘বাস্তবতা মেনে নেওয়ার’ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের প্রধান উপপ্রেস সচিব হোগান গিডলি বলেছেন, ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং মার্কিন-ভারত কৌশলগত অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন। গিডলি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ভারত অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে থাকবে।

laptop change network sharing

laptop change network sharing

গল্প - শ্বশুরের বাসা নিয়ে লেখা অসাধারন একটা গল্প 2019

গল্প - শ্বশুরের বাসা।
লেখা - তামিম আহমেদ হিমু ( মুরুব্বি )
.
" তামিম ভাইয়া শুনো না। একটা কথা ছিল। " এই কথা বলে অতিথি দৌড় দিয়ে আসতে লাগল। আমি দাঁড়িয়ে তাকলাম।
হাঁপাতে হাঁপাতে বলল " বাবা রে বাবা খরগোশের মতো দৌড়াচ্ছ। আমার ডাক কি তোমার কানে যায় না? নাকি না শুনার ভাণ করে হাঁটতে লাগলে? আমাদের একটা কাজ করে দিবে? "
আমি একটু নরম গলায় বললাম " চাচা কোথায়? "
মেয়েটা হাত টা নাচিয়ে নাচিয়ে বলল " বাবা তো ডুবাই চলে গেছেন। "
" ও তো নিজে বাজার করতে পারো না? "
মেয়েটা মুখ কালো করে বলল " তামিম ভাইয়া কি যে বলো না? মেয়ে হয়ে আমি বাজার করতে যাব কেন? মেয়েরা ঘরের মধ্যে তাকা কিন্তু খুব ভালো। "
আমিও বললাম " ঠিক কথা। এবার কি দিতে চাও দেও। "
মেয়েটা বাজারের লিস্ট দিল। লাস্ট কথা ছিল " ভাইয়া আমার মোবাইলে ২০ টাকা দিও। " তারপর চলে যেতে চাইল। আমি পনপন করে বললাম " নাম্বার কে দিবে শুনি? "
মেয়েটা অবাক চোখে তাকিয়ে বলে " তোমাকে কত দিন নাম্বার দিয়েছি তা কি মনে আছে? আমার নাম্বার টা তোমার কাছে রাখলে এমন কি ক্ষতি হয় শুনি?Delight
আমি বললাম " নাই বলে নাই। নাম্বার কি দিবে? না আমি চলে যাব। "
রাগের মাথায় বলল " নেন নাম্বার। " তারপর মুখ ভেংচি দিয়ে চলে গেল।
.
আসরের আযান পড়তেই নামাজ পড়তে গেলাম। নামাজ পড়লে মনের ভিতর অনেক শান্তি আসে। নামাজ পড়ে বাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম। বাজারে যাওয়ার পর একটা হাতি দেখতে পেলাম। আমি একটুও অবাক হয় নি। কিন্তু বাজারের মানুষজন সবাই " আ " করে তাকিয়ে তাকল। রাতের বেলা অতিথি বলে ডাক দিতেই চাচি দরজা খুললেন। তামিম সব বাজার করে এনেছ ? "
" জ্বী চাচি সব বাজার করে আনছি। " এই কথা বলে আমি আমার রুমে চলে আসলাম। অতিথির পরিবার আমার আপন কেউ না। তারা যে ফ্ল্যাটে থাকে আমিও সেখানে তাকি। ৩ বছর ধরে সেখানে তাকি। অতিথি আমাকে বড় ভাইয়ের চোখে দেখে না। আমাকে কত বার ভালবাসার কথা বলছে সেটা ৩ বছরে খাতা কলমে হিসাব করে বলতে হবে।
সকালবেলা ঘুম থেকে উঠতে দেরী হয়। ফজরের নামাজ পড়ে আবার ঘুমিয়ে পড়ি। উঠতে নয়টা ভেজে গেল। দরজায় শুধু কলিংবেল। আমি বিরক্ত হয়ে বললাম " দরজা টা ভাঙ্গিস না। আমি আসতাছি। "
চোখে অনেক ঘুম তবুও দরজার ধারে গিয়ে আবার দরজায় মাথা লাগিয়ে ঘুমাতে চেষ্টা করলাম। কিন্তু একসাথে বিশ টা বেল দিল। এরপর আর সহ্য করে তাকতে পারি নি। দরজা খুলতেই বলল " মানুষ যে এতো অলস হয় তোমাকে না দেখলে জানতে পারতাম না। "
" কিসের জন্য এসেছ? "
" তোমার জন্য মা তরকারী পাঠিয়েছেন। " একটা বাটি আমার হাতে দিয়ে চলে গেল।
.
" কি তামিম ভাই আজকাল তো আপনাকে পাওয়া ঐ যায় না কোথায় তাকেন? অফিসের কাজ বুঝি খুব বেশি? এতো টুকু কথা বলে পাশের রুমের ভাবি দরজা লাগিয়ে আমার কাছে আসলেন। আমি হেসে হেসে বললাম " কাজ তো। কাজের জন্য মন টা ভালো থাকে না। চুপচাপ তাকতে ভালো লাগে। আপনি কোথাও বের হবেন বুঝি? "
ভাবি হাতে ব্যাগ দেখিয়ে বললেন " বাজার করতে যাব। " এই কথা বলে দাঁড়িয়ে তাকলেন।
মহাবিপদে পড়লাম। আমি যদি বিদায় না নিয়ে চলে যাই তাইলে আমার সাথে বসে সারা সকাল গল্প করতে ভাবি রাজি তাই বললাম " ভাবি অফিসের টাইম হয়ে গেছে আমি বরং যাই। "
পাশের রুম থেকে অতিথি রাগের মাথায় বেল দিতে দিতে দরজা টা প্রায় ভেঙ্গে দিতে লাগল।
আজ যদি বাবা এখানে তাকতেন তাইলে ভাবির মাথায় একটা থাপ্পড় দিয়ে বলতেন " বেয়াদব মেয়ে। মেয়ে হয়ে বাজার করতে যাবি কেন? বাজারে যাওয়া ঠিক না? লোকজন অনেক অনেক খারাপ কথা বলবে। তাইলে পুরুষ মানুষ কিসের জন্য? " এসব কথা বলে ভাবি কে বকাবকি করতেন। বাবা মেয়েদের কে বাজারে যাওয়া একদম পছন্দ করেন না। আমাদের বাজার টা খুব বড়ও না ছোটও না এক রকম মোটামুটি বড় আছে। আমাদের বাজারে পাশে একটা বড় পর্যটক এলাকা আছে। বাজার থেকে দূরে মাত্র ৩ কি.মি.। বড়লোক পরিবার এখানে ভ্রমণ করতে এসে এখানে রাতে থাকে। সেটা বড় কথা না। ভ্রমণ করতে এসে এখানে তাকবেই। সব থেকে খারাপ কথা হলো চায়না মেয়েরা ছোট ছোট গেঞ্জি আর ছোট ছোট প্যান্ট পড়ে বাজারে ঘুরাঘুরি করত। এরপর বাবা বাজারে মিটিং করে চায়না মেয়েদের বাজারে আসা যাওয়া নিষেধ করে দেন। বাবা ছিলেন খুব রাগি।
.
লিফটে উঠতে যাব। অতিথি ডাক দিয়ে বলল " সিরি দিয়ে উঠো। তোমার সাথে কথা আছে। " আমার হাতে ল্যাপটপ।
আমি মিনমিন করে বললাম " কি এক মেয়েরে। বাবা যদি পাইতেন তাইলে সারাদিন কান ধরিয়ে রাখতেন। যেখানে পায় সেখানে ডাক দিয়ে বলে " দাঁড়ান। "
আমি বললাম " কিসের জন্য দাঁড়াব? "
কাছে এসে বলল " আমি বললে দাঁড়ানোর সময় নাই কিন্তু পাশের রুমের ভাবি বললে সারাদিন দাঁড়িয়ে কথা বলতে ভালো লাগে। এতো কিসের কথা তোমাদের মধ্যে শুনি যে এক দুই ঘন্টায়ও তোমাদের কথা শেষ হয় না। রোমান্টিক কথা চলে বুঝি। "
এমনিতেই রাগে হাত পা চটরপটর করের তারপর মেয়েটার এতো আজেবাজে কথা রাগের মাত্রা আর বেশি করে দিল। কিন্তু কি করব বাবা বলছেন ধৈর্য্য তাকতে হবে। রাগের মাথায় ৩ -৪ টা খারাপ কথা বললে পরে নিজের কাছেই খারাপ লাগবে। তাই চুপ করে তাকলাম। চুপ করে আছি বলে অতিথি মিনমিন করে বলল " এখন ভাজা মাছ টাও উল্টিয়ে খেতে পারে না। "
এই মেয়ের সাথে কথায় পারব না। যদি এক কথা বলি তাইলে দশ কথা বলবে। ক বললে কলকাতা বুঝে। ল্যাপটপের ব্যাগ টা অতিথির হাতে দিয়ে বললাম " চুপ করে হাঁটতে তাকো। "
আমার দিকে চোখ টা ত্যাড়া করে তাকিয়ে আছে। মনে হচ্ছে আমাকে খেয়ে ফেলবে।
.
রুম টা ভালো করে পরিষ্কার করলাম। বাবা আসবেন। বাবা অগোছালো রুম একদম সহ্য করতে পারেন না।
বিকালে বাবাকে আনতে সায়দাবাদ তে গেলাম। বাবা আমাকে দেখেই আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। ফ্ল্যাটের কাছে আসতেই অতিথি দৌড় দিয়ে বাবা কে সালাম করল। বাবা অতিথি কে খুব পছন্দ করেন। বাবা অতিথি কে বললেন " মা তুমি তো অনেক বড় হয়ে গেছো? "
অতিথি আমার দিকে চেয়ে বলে " কিন্তু মানুষের চোখে তো আমি বড় না। "
আমাকে খুঁচা দিতে লাগল। আমি বুঝতে পারছি।
সকালবেলা ভাবি ডাক দিয়ে বললেন " তামিম ভাই তোমাকে তো এখন খুঁজে ঐ পাওয়া যায় না। কোথায় থাকো? "
পিছনে বাবা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সব কথা শুনলেন। ভাবি কে একদম সহ্য করতে পারেন না। বাবা আমাকে ডাক দিয়ে ভিতরে আনলেন। ও মা। অতিথিও আমার রুমের ভিতর।
" তোর এই মহিলার সাথে কিসের এতো কথা রে? সারাদিন তুই নাকি এই মহিলার সাথে কথা বলিস? "
অতিথিও কুটনি বুড়ির মতো অবাক হয়ে শুনতাছে। বাবার সামনে মেয়েটাকে কিছু বলতে পারি না। চুপচাপ হয়ে বললাম " বাবা উনি তো আমার ভাবি হয়। ভাবির সাথে কিসের এতো কথা তাকতে পারে? "
বাবাও বললেন " ঠিক। আমিও তাই বললাম। কিন্তু অতিথি বলল " তুই নাকি ফিসফিস করে কি বলিস? "
মেয়েটা আমার বারো টা বাজিয়ে দিবে। রাগের মাথায় বললাম " আমার রুম থেকে বের হয়ে যাও। কোনো দিন আমার রুমের ভিতরে আসবে না। দিন দিন মাথার উপর উঠে যাচ্ছ। "
একটা গামছা নিয়ে ফ্রেশ হতে চলে গেলাম।
.
" বুম বুম তামিম ভাইয়া। " এই কথা টা বাচ্চা ছেলে বলল। খুব রাগ উঠছিল। আমি কত বড় একটা ছেলে। আমাকে কোথায় সালাম করবে তা না করে আমাকে এসব আজেবাজে কথা বলছে। বাচ্চা ছেলে টা কে একটা ডাক দিলাম। কাছে আসতে চায় নি। আমি নিজে তার কাছে গিয়ে কানের মধ্যে ধরে একটা থাপ্পড় দিলাম। কত বড় বেয়াদব একটা ছেলে। ছেলে টা ভ্যাএএএএ করে কান্না করে দেয়। অতিথি দরজা টা ফাঁক করে দেখল কে কান্না করতাছে। আমাকে দেখেই সাপের মতো ফুসফুস করে কাছে এসে বলে " এতো বড় একটা ছেলে হয়ে বাচ্চা ছেলে কে মারতে লজ্জা হলো না? লজ্জা হবে কি করে। যে মানুষ টা ভালোবাসা বুঝে না তার আবার লজ্জা হবে। "
অতিথি বাচ্চা ছেলেটাকে নিয়ে চলে গেল। এখন বুঝতে পারছি এই ছেলেটা মনে হয় অতিথিদের বাসায় বেড়াতে এসেছে।
সকালবেলা কলিংবেল। দরজা খুলে দেখি মা আসছেন। আমি কিছু সময়ের জন্য বোকা হয়ে গেলাম। মা কে বললাম " মা তুমি এতো সকাল কিভাবে আসলে আমাকে একটা কল দিলে না কেন? তাইলে আমি তো তোমাকে নিয়ে আসতাম। "
মামা হেসে হেসে বললেন " বউমা আমাকে স্টেশন থেকে বাসায় নিয়ে আসল। চিন্তা করিস কেন? "
চোখ মোটা করে বললাম " বউমা আসল কোথায় থেকে মা? "
মা - বাবার সাথে আমি পারব না। মা-বাবার যুক্তি অনেক মারাত্মক। তারা যা করে তা যুক্তির মাধ্যমে করে। মা - বাবার মধ্যে কোনো সময় ঝগড়া দেখি নি। মা হাজার ভুল করলেও বাবা কিছু বলেন না। বাবা বরং বলেন " ভুল হলেই মানুষ শিখতে পারবে। ভুল না হলে শিখবে কোথায় থেকে? "
মা কে খুব ভালোবাসেন। মায়ের চোখে পানি দেখলে বাবা ভাবেন মা কান্না টা বাবার জন্য এসেছে।
মা ভিতরে এসে বললেন " তোর বাবা কোথায়? "
আমি ব্যাগ টা আনতে আনতে বললাম " বাবা ঘুমাচ্ছেন। "
.
দুপুরে কাজী এসে আমার রুমে বসে তাকল। আমি ঘুমাচ্ছিলাম। মা এসে বললেন " চল। অতিথিদের বাসায় এখন তোর বিয়ে। অতিথি তৈরি হয়ে বসে আসে। মেয়েটা কত সুন্দর করে সাজগোজ করে কন্যা সেজে বসে আছে। "
আমি পাঞ্জাবি পড়ছি আর ভাবছি। হঠাৎ বিয়ে ভাবতেই বুকের ভিতর কেঁপে উঠে।
এখন বুঝতে পারলাম। অতিথিদের বাসায় কেন এতো মেহমান আসলেন। শেষ পর্যন্ত মেয়েটা আমাকে বিয়ে করেই ছাড়ল। সত্য প্রেম কোনো দিন হারিয়ে যায় না।
.
বিয়ের আজ ৪ মাস হয়ে গেল। কিন্তু আমার রুমে ৪ দিনও থাকে নি। রাগ করলেই বাপের বাসায় চলে যায়। সেখানে গিয়ে ১০ - ১৩ দিন আরাম করে থাকে তারপর আবার রাগ ভাঙ্গিয়ে নিয়ে আসি। কি ঝামেলা। মেয়েদের একটাই সমস্যা বাপের বাসা কাছে তাকলেই আসতেও সময় লাগে না যেতেও সময় লাগে না।
আজও ঝগড়া। আমি বললাম " মশারি টা দেও তো। "
অতিথি ঘুমাতে ঘুমাতে বলল " তুমি তো দাঁড়িয়ে আছো। তুমি ঐ তো দিতে পারো। "
রাগের মাথায় বললাম " তুমি তোমার বাপের বাসায় চলে যাও। যাও বলছি যাও। "
মেয়েটা রাগ করে এক দৌড়ে চলে গেল।
৫ দিন হয়ে গেল। আমি গিয়ে আনি নি।
মা বাবা আসলেন বিচার করতে। মা - বাবা অনেক বুঝাইলেন। মেয়েদের যদি একটু জেদ না থাকে তাইলে এইটা কিসের মেয়ে। মেয়েদের নাকি একটু জেদ তাকতে হয়। স্বামীর ভালোবাসা পাওয়ার জন্য। স্বামীর ভালোবাসা পরীক্ষা করার জন্য। মা - বাবা আমাকে অনেক দোষ দিতে লাগলেন। আমি নাকি অতিথি কে ভালোবাসি না। আমি ভাবতে লাগলাম সত্যি ঐ আমি অতিথি কে কোনো দিন ভালোবাসার চোখে দেখে নি। ইশ! বড় অন্যায় করছি মেয়েটার উপর। মেয়েটা কিছু চায় না শুধু স্বামীর একটু ভালোবাসা চায়। কোনো দিন বলে নি আমার এই লাগবে সেই লাগবে। আমি সরি বললাম। মা - বাবা হাসি মুখে অতিথি কে আমাদের বাসায় নিয়ে আসলেন।
.
সমাপ্ত
facebook
youtube 

Tuesday, August 20, 2019

আমি উন্মাদ উন্মাতাল 2019

আমি উন্মাদ উন্মাতাল
ফুলকে ভালোবেসেই
তোমাকে ভালোবেসেছিলাম।
সুগন্ধি ভেবে কাটার শত আঘাত সয়েছিলাম।
ফুলে যেমন মধু আছে
তোমাতেও প্রেম আছে।
অনুভবে মগজে মননে তোমাকে
হৃদয় বৃত্তে এঁকেছিলাম।
প্রেমাশে অনুভূতির উঁচু শৃঙ্গে তোমায় জড়িয়েছিলাম।
ভোরের শিশির ভেবে তার সতেজতা অঙ্গে মেখেছিলাম।
আর তুমি ছিলে ছলনার পরিসীমায় নিভৃতে গোপনে নিশির অভিসারে,
স্নিগ্ধ কোমল শরীর সরোবরে তোমার সতর্ক অবস্থান।
পদ্মপানকৌড়ির রূপক অভিসারে তোমার সহাবস্থান।
আক্ষেপের চূড়ান্ত করিডোরে আমার পায়চারি।
বাচাল ছিলেনা, ছিলে হ্রাষভারী
আত্মজ অহঙ্কারী।
বুঝতে পারিনি আপন অহঙ্কার ধুয়ে
বাঁচতে চেয়েছিলাম পরিযায়ী পাখির ঠোঁটে
আমার স্বপ্নের বিলাসী ভবি বসন্ত
কৃষ্ণচূড়া নিয়ে।
কিন্তু ধ্রুবক গোধূলির ধূসরে কখন কোন ফাঁকে তুমি হারিয়ে গেলে।
বাঁচার তাগিদে আজ আমি মরা কঙ্কাল।
চারপাশে ধূধূ মরুভূমি আমি উন্মাদ, উন্মাতাল।

Monday, August 19, 2019

How To avro bangla bijoy typing tutorial 2019 অভ্র দিয়ে কি ভাবে বিজয় লিখ...



avro দিয়ে কি ভাবে বিজয় লিখবেন কেউ ধরতে পারবে না দেখে নিন Delight

Subscribe My channel

আপনারা কোন ধরনের ভিডিও চান কমেন্ট করুন।
আপনার যে কোন অসুবিধা আমাদের গ্রুপে পোষ্ট করুন
Facebook Page:
https://www.facebook.com/helpbangladesh1
Facebook Group:
https://www.facebook.com/groups/helpbangladesh..

Sunday, August 18, 2019

অদ্ভূত প্রতিশোধ আম্মু আমি আইসক্রিম খাবো,কিনে দাও আমাকে

-আম্মু আমি আইসক্রিম খাবো,কিনে দাও আমাকে ,,,
পিচ্চি বাচ্চার এই কথায় আমার মাথায় ঠাডা পরলো।এমনিতেই কয়েকদিন আগে ব্রেকআপ হইলো বয়ফ্রেন্ড এর সাথে এই কষ্টে আজকে মন হালকা করতে পার্কে আসছে তবুও একা এখন এই পিচ্চি মেয়েটা জামা ধরে টেনে বলতেছে ,"আম্মু আইসক্রিম খাবো"।বয়স ৩ বছর এর উপরে হবে না।তবে এই যুগ এর বাচ্চারা ৩ বছর বয়স হলেই ৮০ বছর এর দাদীর মতো কথা বলে ।সে যা ই হোক ভাবলাম তার মা এর সাথে খেলছে হয়তো ভুল এ আমার কাছে এসে পরেছে ।তাই বললাম ,
-তোমার নাম কি মামুনি ? (আমি)
-আমার নাম তো জানো ই আম্মু তুমি ।তাহলে জিঙ্গাসা করতেছো কেনো?(পিচ্চি)
-না মামুনি তোমার ভুল হচ্ছে্ কোথাও,,আমি তোমার আম্মু না।ওই দিকে দেখ তোমার আম্মু হয়তো আছে,,(আমি)
-না তুমি ই আমার আম্মু । (পিচ্চি)
কি মুশকিল ।জীবনে যা একবার প্রেম করেছিলাম ব্রেকআপ হলো কয়েকদিন আগে সেই কষ্ট এখনও কেটে উঠতে পারছি না এর আগেই একটা ঝামেলা হলো এই পার্কে এসে ।ভাবলাম পার্কে খুজলে কেউ না কেউ তো বলবো যে এটা আমার মেয়ে পুরো বিকেল হয়ে গেলো কেউ বললো না এমন কথা।হাটতে হাটতে আমার পা একদম শেষ ।আর কোলে করে যেখানেই গেছি সেখানেই বলে ,"আম্মু এটা কিনে দাও,ওটা কিনে দাও" ।আশে পাশের মানুষ গুলো মনে হয় এলিয়েন দেখছে ।দেখার ই কথা মাএ প্রেম এর ফুল ফুটছে এখন ই যদি কেউ ভাবে এই সুন্দর মেয়ে বিয়ে করে বাচ্চা হয়ে গেছে তাদের মনে এমন প্রশ্ন আসার ই কথা ।ঘুরতে ঘুরতে সন্ধা হয়ে গেছে বাচ্চার আম্মুকে খুজে পাইনি ।এই বাচ্চা নিয়ে কি করবো এখন ? একবার ভাবলাম এখানেই রেখে চলে যাই ।যেই ভাবা সেই কাজ।কিনতু ভাবলাম যে পুলিশ কে জানাই ।পরে ভাবলাম কল্লা কাটা বলে আমাকে যদি ধরে নিয়ে যায় ,,।ভাবতে ভাবতে সন্ধা হয়ে গেলো ।মেয়েটা দেখতে অনেক সুন্দর ।ভাবছি হয়তো পিচ্চি মেয়েটার বাবা মা তাকে মনে হয় খুজতেছে ।আর এই দিকে ব্রেকআপ করার শোকে বাসা থেকে ২০০০ টাকা নিয়ে আসছিলাম যে ১০\১২ প্যাকেট বিরিয়ানি খাবো কিনতু হলো না ।এই বাচ্চার আম্মু ডাক বন্ধ করার জন্য তার সব আব্দার পূরন করলাম এখন মাএ ২০০ টাকা আছে । পিচ্চি মেয়েটা দেখতে অনেক সুন্দর আর বড়লোক এর মেয়ে ই মনে হচ্ছে ।কত সুন্দর করে সাজিয়ে দিয়েছে ।মনে হচ্ছে নিয়ে যাই বাসায় ।আমার সাথে চুপ করে বসে আছে এমনিতে দেখলে ভাববে বোন কিনতু এখন তো আর তা হবে না ।ভাবলাম ওকে রেখে ই চলে যাবো ।সন্ধায় পার্কে একটু কম মানুষ থাকে তাই ভাবলাম একটু ভিতরে রেখে এক দৌড়ে চলে যাবো ।কিনতু যেই না কোলে নিছি সাথা সাথে ই প্রস্রাব করে আমার জামা পুরো ভিজিয়ে দিছে ।কি আর বলবো দুঃখের কথা ।রাগে জিঙ্গাস করলাম প্রস্রাব করবে বলতে পারো নি ?
-মনে ছিলো না আম্মু (পিচ্চি)
Image result for আম্মু আমি আইসক্রিম খাবো
আবার আম্মু ডাকে ।মন চাইতেছে মরে যাই কিনতু তা কি হয় ।কোলে করে নিয়ে গেলাম পার্কের ভিতরে একটা চিপস কিনে দিলাম এখন দৌড় এর পালা ।তার আগে তাসফিয়া পিচ্চিকে বললাম,,,
-বাবু,,,তুমি একটু দাড়াও তোমার জন্য একটা পানির বোতল নিয়ে আসি ?(আমি)
-আচ্ছা,,,,(তাসফিয়া পিচ্চি)
ঠিক যখন ই যাবো তখন ই পছন থেকে বলে উঠলো তাসফিয়া ,যা শুনে এই সন্ধার গরমের মাঝেও আমার মাথায় ঠাডা পরলো ।তাসফিয়া বললো,,,
-প্রীতি আম্মু আমাকে রেখে চলে যেয়ো না আমার রাতে অনেক ভয় করে।(তাসফিয়া পিচ্চি)
আমার বিষ্ময় এতো উপরে উঠলো যে মনে হচ্ছে চাদ পর্যন্ত উঠে গেছি ।কোনো চিন্তা ভাবনা না করে সোজা জিঙ্গাস করলাম আমার নাম জানলো কি করে ,,
-আম্মুর নাম তো সবাই ই জানে।(তাসফিয়া)
এবার আমার মনে হাজার প্রশ্ন ।কি বলছে এই মেয়েটা ।অনেক কিছু ই ভাবছি কিনতু কোনো সমাধান ই খুজে পাচ্ছি না ।আমার নাম জানে আবার আমাকে আম্মু ও ডাকে কি আজব ।
-আম্মু বাসায় যাবো না ?(পিচ্চি তাসফিয়া)
কি যে করবো এই মেয়ে নিয়া ।তবে এই রহস্য বেড় করতে হবে আমাকেই ।কিনতু আমার মা তো রিনা খান ।যে পরিমান রাগী ।যাই হোক আল্লাহ আল্লাহ বলতে বাসার দিকে যাই।পার্ক থেকে বের হয় মাএ রিকশা নিবো ঠিক তখন ই এক বান্ধুবি ডাক দিয়ে বললো কেমন আছি ।বললাম আছি কোনো রকম ।যেই বাচ্চাকে কোলে নিলো আম্মু আম্মু বলে কি যে কান্না শুরু করলো হায় খোদা।কোলে নিয়ে ঠান্ডা করে বান্ধুবিকে বিদায় দিয়ে বাসায় আসছি আর ভাবছি কি হবে এই বাচ্চাকে দেখলে আম্মু।ভাবছি আর তাসফিয়ার দিকে তাকাচ্ছি ।আসলেই কি নিষ্পাপ চেহারা একদম পরীর মতো ।কার কোল খালি করে আমার কাছে আসছে ।কত সুন্দর আমার কোলেই ঘুমুচ্ছে ।এসব ভাবতে ভাবতে বাসায় এসে দরজায় কড়া নরালাম।যথারিতী যা হবার কথা তার থেকে বিশাল আকারের রিয়েকশন শুরু হলো।
-এইবাচ্চা কার প্রীতি ? (আম্মু)
কি বলবো ভাবতে ভাবতে ই আমি ,,,,,
চলবে ?
#গল্প:অদ্ভূত প্রতিশোধ
Facebook
youtube Delight

Saturday, March 23, 2019

01 ফরেক্সে কিভাবে আয় করা যায়?

ফরেক্সে কিভাবে উপার্জন করা যায়? 

আপনি ফরেক্স মার্কেটে কারেন্সি কেনাবেচা করেন। আপনি এই চিন্তা করে কারেন্সি কেনাবেচা করেন যে, কারেন্সির মূল্য একটা অন্যটার তুলনায় বাড়বে অথবা কমবে । 

ধরুন আপনি €১০,০০০ ইউরো কিনতে চাচ্ছেন ইউএস ডলারের বিনিময়ে। 

€১ = $১.৩৫ 

তাহলে €১০,০০০ কিনতে আপনার লাগবে 

$১.৩৫ X ১০,০০০ = $১৩,৫০০ 

১মাস পরে ইউরোর দাম ১.৪২০০ হলো। আপনি আপনার ট্রেডটা ক্লোজ করে দিলেন। তাহলে আপনি পাচ্ছেন 

$১৪,২০০-$১৩,৫০০= $৭০০

যদি ১ডলারের দাম ৭৫ টাকা হয় তাহলে 

$১৩,৫০০= $৭৫ X ১৩,৫০০= ১,০১২,৫০০ টাকা মাত্র

মন খারাপ করবেন না। আপনার ট্রেড করতে এত টাকার প্রয়োজন নেই। 

ফরেক্সে কারেন্সি মূল্য কিভাবে পড়ব

কারেন্সির মূল্য সবসময় জোড়ায় গননা করা হয়। কারন আপনি যখন একটি কারেন্সি কিনেন তখন অন্য একটি কারেন্সি বিক্রি করেন। 

না বুঝে থাকলে উপরের উদাহরনটা আবার দেখুন। আপনি ইউএস ডলার দিয়ে ইউরো কিনেছিলেন। কারেন্সি ভ্যালুকে আমরা নিম্নের ছবির মত দেখে থাকি। ছবিটিতে €১ জন্য কত ডলার প্রয়োজন তা দেখাচ্ছে।

এখানে ইউরো হলো বেস কারেন্সি আর ইউএসডি হলো কোট কারেন্সি। যখন আপনি কিনেন তখন আপনি দেখতে পারেন যে আপনার ১ ইউনিট বেস কারেন্সি কিনতে কত ইউনিট কোট কারেন্সি প্রয়োজন। আপনি যখন বিক্রি করেন তখন আপনি দেখতে পারেন যে, আপনি ১ ইউনিট কোট কারেন্সির বিনিময়ে কত বেস কারেন্সি পাবেন।

আপনি তখন কিনবেন যখন মনে করবেন যে, বেস কারেন্সির মুল্য বৃদ্ধি পাবে। আপনি তখন বিক্রি করবেন যখন মনে করবেন যে, বেস কারেন্সির মুল্য কমবে। 

Long নাকি Short

আপনি প্রথমে নির্ধারন করবেন যে, আপনি কারেন্সির পেয়ার (জোড়া) বাই না সেল করবেন। যদি আপনি বাই (ক্রয়) করতে চান তাহলে আপনি চিন্তা করছেন যে কারেন্সির ভ্যালূ বাড়বে। এই কেনাকে Long বলা হয়। 

যদি আপনি সেল (বিক্রয়) করতে চান তাহলে আপনি চিন্তা করছেন যে কারেন্সির ভ্যালু কমবে। এই সেল করাকে Short বলা হয়। মনে রাখাবেন 

Buy = Long

Sell = Short

Bid/Ask

যে কোন কারেন্সি পেয়ারে দুইটি প্রাইস দেখা যায়। নিচের ছবিটি দেখুন। প্রথমটি হল Bid প্রাইস আর পরেরটি হল Ask প্রাইস। Bid প্রাইসের ভ্যালু সবসময় Ask প্রাইসের চেয়ে কম থাকবে।


Bid – Ask = Spread

Spread হল ব্রোকারের লভ্যাংশ যা আপনার ট্রেডের ভিতর থেকে কেটে নেয়। লক্ষ্য করবেন যে আপনি যখন Buy অর্ডার দেন, তখন ট্রেড Ask মূল্যে শুরু হয় আর যখন Sell অর্ডার দেন, তখন ট্রেড Bid মূল্যে শুরু হয়। তাছাড়া আরো লক্ষ্য করবেন যে, আপনার ট্রেড কিছুটা লস দিয়ে শুরু হয়েছে। এটার কারন হল যে ব্রোকার আপনার ট্রেড থেকে স্প্রেড কেটে নিয়েছে। মনে রাখবেন যে সব কারেন্সির স্প্রেড সমান না।

আপনি যদি অনলাইনের কাজ শিখতে চান তাহলে যোগাযোগ করতে পারেন আমার সাথে
গ্রান্টি দিয়ে কাজ শিখাব
১ মাস সময় নিব
মোবাইলঃ ০১৯২০৩৮০৩০২ 

মার্কেট স্ট্রাকচার ২০১৯

মার্কেটের স্ট্রাকচার অথবা কাঠামো

ফরেক্স মার্কেটকে আরো ভালভাবে বুঝার জন্য দেখি যে স্টক মার্কেট ও ফরেক্স মার্কেট কিভাবে পরিচালিত হয়। প্রথমে স্টক মার্কেটটা দেখি:


স্টক মার্কেটটি (উদাহরণস্বরূপ Dhaka Stock Exchange) স্বভাবত একচেটিয়া মার্কেট। মার্কেটে একটি স্পেশালিস্ট থাকে। সে নিজের ইচ্ছামত প্রাইস কন্ট্রোল করতে পারে। স্পেশালিস্টের নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য সে প্রাইসের হেরফের করতে পারে।

এটা কিভাবে সম্ভব?

স্টক মার্কেটে স্পেশালিস্ট অর্ডার সম্পাদান করতে বাধ্য থাকে। এখন ধরুন, সেলারের সংখ্যা বায়ারের চেয়ে বেড়ে গেল। স্পেশালিস্ট যে অর্ডার সম্পাদান করতে বাধ্য সে স্টকগুলো সেল করতে পারবে না। তাই এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে স্পেশালিস্ট লেনদেনের মূল্য বাড়িয়ে দিতে পারে যা সেলারদের মার্কেট থেকে দূরে থাকতে বাধ্য করে।

স্পট ফরেক্স মার্কেট

স্পট ফরেক্স মার্কেটটি ডিসেন্ট্রালাইজড মার্কেট। এই জন্য প্রাইস কোট ভিন্ন বোকারে ভিন্ন রকম দেখতে পারেন। এটা আপনার কাছে ভালো নাও লাগতে পারে। কিন্তু আপনি যদি জানেন যে ফরেক্স মার্কেটে প্রচন্ড প্রতিযোগিতার কারনে ব্রোকার আপনাকে প্রায় সবসমযই সবচেয়ে ভালো ডিল অফার করবে। তাহলে আপনি কি বলবেন?


এই সেই কারনের জন্য ফরেক্স মার্কেট মার্কেট একেবারে খাটি একটি মার্কেট না। আবার ডিসেন্ট্রালাইজড দেখে মার্কেটে বিশৃঙ্খলাও নেই। ফরেক্স মার্কেটে অংশগ্রহনকারীদেরকে বড় থেকে ছোট সারিতে সাজানো হলে এইভাবে দেখা যায়: 

সারিতে প্রথমে মেজর ব্যাংকগুলোকে দেখতে পাচ্ছেন। অংশগ্রহনকারীরা ইলেকট্রনিক ব্রোকারেজ সার্ভিস (EBS) অথবা রয়টার্স ডিলিং ৩০০০ স্পট ম্যাচিং এর মাধ্যেমে সরাসরি ট্রেড করে থাকে।

এই ২টা কোম্পানী কোক আর পেপসির মত। সবসময় মক্কেলের জন্য মারামারি করে। দুটো কোম্পানীই প্রায় একই ধরনের কারেন্সি পেয়ার প্রদান করে থাকলেও, কিছু কিছু কারেন্সি পেয়ারে ১টা তে আরেকটার চেয়ে বেশি তারল্য দেখা যায়।

ইবিএস প্লাটফর্মে EUR/USD, USD/JPY, EUR/JPY, EUR/CHF, and USD/CHF বেশি তারল্য দেখা যায়। রয়টার্স প্লাটফর্মে GBP/USD, EUR/GBP, USD/CAD, AUD/USD, and NZD/USD বেশি তারল্য দেখা যায়। ইন্টারব্যাংকে অংশগ্রহনকারী ব্যাংকগুলো এই প্রাইস দেখতে পায়। এর মানে এটা না যে তারা সেইরেটে ট্রেড করে। এখানে অনেক কিছু আছে যা রেট ভিন্নভাবে পোষন করে।

পরের সারিতে আসে হেজ ফান্ড (Hedge Funds), কর্পোরেশন (Corporations), রিটেইল মার্কেট মেকার (Market makers) এবং রিটেইল ECN। যেহেতু এরা ইন্টারব্যাংকে সরাসরি ট্রেড করতে পারে না, তাদের কমার্শিয়াল ব্যাংকের সাথে ট্রেড করতে হয়। এর মানে তাদের জন্য খরচ একটু বেড়ে যায় আর তাদের ইন্টারব্যাংকের অংশগ্রহনবারীদের চেয়ে একটু বেশি চার্জ করতে হয়।

একদম শেষের সারিতে রিটেইল ট্রেডাররা পরে। মানে আমরা। ফরেক্স মার্কেটের অসংখ্য সুযোগ সুবিধার জন্য আমরা এই মার্কেটে অনেক বড়বড় সত্ত্বাদের সাথে ট্রেড করতে পারি।





আপনি যদি অনলাইন থেক আয় করতে চান তাহলে যোগাযোগ করুন। 
বিস্তারিতঃ 
লাইভ একাউন্ট লিংকঃ ক্লিক 
sktyp: al.mamun480
mobile: ০১৯২০৩৮০৩০২ 

ফরেক্স এর সুবিধা

ফরেক্স এর সুবিধা

ফরেক্স মার্কেটের অনেক সুবিধা আছে যা অন্যান্য মার্কেটে দেখতে পাবেন না। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হল:

কোন কমিশন নেই: আপনি মূলত ব্রোকারকে কোন কমিশন দেন না। আপনার ব্রোকার আপনাকে মূলত যা চার্জ করবে তা হল “আসক - বিড = স্প্রেড”।

কোন মধ্যবর্তী লোক নেই: আপনি সরাসরি ট্রেড শুরু করতে পারবেন। ট্রেড শুরু করার জন্য আপনাকে কোন তৃতীয় পক্ষকে বলতে হবে না।

নিধারিত লট সাইজ নেই: আপনি কতটুকু ট্রেড করবেন তা আপনার উপর নির্ভর করবে। ধরুন, আপনি যদি ফিউচার মার্কেটে সিলভার ট্রেড করতে যান তাহলে আপনাকে ৫,০০০ আউন্স সিলভার কিনতে হবে। কিন্তু ফরেক্স মার্কেটে ৫,০০০ আউন্স কিনতে বাধ্য না।

স্বল্প খরচ: ট্রেড করতে আপনার ব্রোকার আপনাকে খুব অল্প চার্জ করে। সেটাকে আমরা স্প্রেড বলে থাকি। এটা সাধারনত আপনার লট সাইজের উপর নির্ভর করে।

২৪ ঘন্টার মার্কেট: অন্যান্য মার্কেট সাধরনত সকালে খুলে বিকেলে বন্ধ হয়ে যায়। আর ট্রেডের জন্য আপনাকে পরের দিনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। ফরেক্স মার্কেট সোমবার খুলে আর শুক্রবার বন্ধ হয়। আর এর মাঝে ২৪ ঘন্টাই খোলা থাকে।

মার্কেট নিয়ন্ত্রন করা যায় না: ফরেক্স মার্কেট এত বড় যে যদি কোন দেশের সেন্ট্রাল ব্যাংক যদি প্রাইস নিজের ইচ্ছামত মুভ করতে চায়, তাহলে তা বেশিক্ষনের জন্য করতে পারবে না।

লেভারেজ: আমারা লেভারেজ সম্পর্কে জেনেছি। আমরা অল্প অর্থে বিনিময়ে অনেক অর্থ দিয়ে ট্রেড করতে পারি। ফরেক্স মার্কেট ছাড়া অন্য কোন মার্কেট আপনাকে এই সূযোগ দেয় না।

মার্কেটে এন্ট্রি সহজ: মার্কেটে প্রবেশ করতে আপনাকে হাজার বাধা বিপওি পারি দিতে হবে না। ঘরের মধ্যে একটা কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশনই যথেষ্ট। ব্রোকারও আপনার কাছে হাজার হাজার ডলার ডিপোজিট চাবে না। এখন ব্রোকাররা $১ ও ডিপোজিট করতে দেয়।

প্রচুর তথ্য পাবেন: ফরেক্স লিখে যদি গুগলে সার্চ দেন তাহলে দেখবেন যে কি পরিমান তথ্য পান। ইন্টারনেটে এত তথ্য আছে যা আপনার জন্য পর্যাপ্ত পরিমানের চেয়ে অনেক বেশি। তাই আপনার তথ্যের অভাব হবে না।

আপনি হয়ত বুঝতে পেরেছেন যে ফরেক্স অন্যান্য মার্কেটের তুলনায় অনেক ভালো আর বেশি সুবিধা প্রদান করে থাকে। নিচের টেবিলটি দেখুন:






আপনি যদি অনলাইন থেক আয় করতে চান তাহলে যোগাযোগ করুন। 
বিস্তারিতঃ 
লাইভ একাউন্ট লিংকঃ ক্লিক 
sktyp: al.mamun480
mobile: ০১৯২০৩৮০৩০২

কারেন্সি ট্রেডের বিভিন্ন উপায় ২০১৯

কারেন্সি ট্রেডের বিভিন্ন উপায়

কারেন্সি বিভিন্নভাবে ট্রেড করা যায়। এদের মধ্যে স্পট ফরেক্স, ফিউচারস, অপশন্‌স এবং এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইফটি) উল্লেখযোগ্য।

স্পট মার্কেট
কারেন্সি জায়গারটা জায়গায় ট্রেড হয় বর্তমান মার্কেট মুল্লে। স্প্রেড খুব কম থাকে। অ্যাকাউন্ট খোলাও খুব সহজ। আপনি স্পট মার্কেটে $১ দিয়েও ট্রেড শুরু করতে পারবেন।

আপনার ট্রেডের জন্য চার্ট থাকবে। এছাড়াও ইন্টারনেটে প্রচুর পরিমানে খবর বের হয় তাই আপনার তথ্যর অভাব হবে না।

ফিউচার মার্কেট (Futures)

আপনি যে কোন সম্পত্তি (এই ক্ষেত্রে কারেন্সি) একটি নির্দিষ্ট মুল্লে ক্রয় অথবা বিক্রয় করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে যেই চুক্তিপত্র থাকে তা স্ট্যান্ডার্ড আকারে থাকে। যেহেতু ফিউচার কেন্দ্রিয়ভাবে পরিচালিত হয়, তাই সব তথ্য সহজলভ্য। 

অপশন মার্কেট (Options)

অপশন মার্কেটে আপনি একটা সম্পত্তি কিনতে পারবেন কিন্তু তার মালিকানা পাবেন না। আপনি যদি কিছু কিনেন অথবা বিক্রি করেন তাহলে আপনাকে ভবিষ্যৎ একটি সময়ে নির্দিষ্ট মুল্লে তা ছেরে দিতে হবে। অপশন মার্কেটের একটি অসুবিধা হল যে এটা ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে না। 

এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (Exchange Traded Fund)

এটা বেশীদিন হয়নি চালু হয়েছে। এটা ফরেক্সকে স্টকের সাথে মিলিয়ে বাজারে ছাড়া হয়। এতে ঝুকি কমে যায়। এগুল সাধারনত ফিনাঞ্চিয়াল ফার্মগুলো উপস্থাপন করে থাকে।

আপনি যদি অনলাইন থেক আয় করতে চান তাহলে যোগাযোগ করুন। 
বিস্তারিতঃ 
sktyp: al.mamun480
mobile: ০১৯২০৩৮০৩০২



Friday, February 22, 2019

একজন নতুন ফরেক্স ট্রেডার হিসেবে কখন নিজের টাকা মার্কেটে ইনভেস্ট করা উচিত ? Forex mart



https://www.forexmart.com/register?id=HBZJA
একজন নতুন ফরেক্স ট্রেডার হিসেবে কখন নিজের টাকা মার্কেটে ইনভেস্ট করা উচিত ?
:- আমরা যারা নতুন ফরেক্স মার্কেটে আসি তাদের প্রত্যেকের অনেক বড় সপ্ন থাকে। যেমন টা আমার ছিল। ফরেক্স মার্কেটে এক একজন আসে এক একরমক তথ্য পেয়ে। কেউ আসে বন্ধুর কাছ থেকে শুনে (অনেক টাকা ইনকাম করা যায় ), কেউ আসে পার টাইম কিছু করার জন্যে আর কেউ আসে এমনি এমনই (যদি ভালো কিছুর সন্ধান পাওয়া যায় ) । আমার ফরেক্স মার্কেটে আসাটা বেকারত্ব থেকে। মজার বিষয় হলো অনেক নতুন ট্রেডার মতো আমার ও ফরেক্স থেকে বিদায় নিতে হতো নিজের টাকা নষ্ট করে। কিন্তু একটি ফরেক্স ব্রোকারের “No deposit Bonus offer “ নিয়ে কিছু টাকা ক্যাশ করতে পারায় আর নিজের টাকা বিনিয়োগ করা লাগে নাই। এক কথায় নিজের টাকা লস হয় নাই। বিনা পুঁজিতে লাভ করতে পারে ফরেক্স এর প্রতি ইন্টারেস্ট ও বেড়ে যায়। তার মানে তো আমি সফল ট্রেডার ??? মোটেও না । যা সুযোগ নষ্ট করেছি টা কাজে লাগাতে পারলে মিনিমাম ৫০০০ ডলার ইনকাম করতে পারলাম। সেটা হলে হয়তো আমার ফরেক্স ট্রেডের আসল মজা পেতে আরো অনেক সময় লাগত !!! আসল কথা হলো ফরেক্স শিক্ষার চাইতে ফরেক্স ট্রেড করা সহজ। তাই নতুন ট্রেডাররা ফরেক্স শিক্ষার চাইতে ফরেক্স ট্রেড করতে বেশি পছন্দ করে আর দ্রুত লস করে মার্কেট থেকে বের হয়ে যায়। এই কথাগুলু বলার কারণ হলো আমি মনে করি ফরেক্স মার্কেট এ ইনভেস্ট করার উপযুক্ত সময় হচ্ছে:
১) যখন আপনি মার্কেটের ভাষা বুজবেন।
২) ফরেক্স মার্কেট কেন UP DOWN করে তা বুজবেন। এবং
৩) আপনার ইমোশন কন্ট্রোল করতে পারবেন। আপনি চার্ট দেখে বলতে পারবেন মার্কেটে কি হচ্ছে আর কি হবে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই ৩ টা বিষয় আপনি দ্রুত কিভাবে আয়ত্ত করবেন ? প্রথমত ,আপনি বিভিন্ন ফরেক্স বাংলা ব্লগ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা নিতে পারেন। যেমন: www.bdpips.com , www.sadifx.com , www.bdforexschool.com, www.bdforexpro.com . দ্বিতীয়ত, ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে ভালো জানে এমন বড় ভাই দের সহযোগিতা নিতে পারেন। তাদের বিভিন্ন পোস্ট ফলো করতে পারেন। যেমন: Vhorer Shisir vay .
তৃতীয়ত, ইমোশন কন্ট্রোল করার জন্য DEMO তে ট্রেড না করে বিভিন্ন ব্রোকার এর “No deposit Bonus offer “ নিয়ে ট্রেড করতে পারেন। DEMO তে ট্রেড করলে আপনার ট্রেডিং এর কোনো ইমোশন কাজ করবে না। BCZ আপনার প্রফিটকে প্রফিট মনে হবে না আর লস কেও লস মনে হবে না। যেমন: FBS , Formax market সহ এমন অনেক ব্রোকার এর “No deposit Bonus offer “ আছে। প্রফিট ক্যাশ করার সুযোগ থাকায় আপনার ইমোশন থাকবে সব সময় ভালো ট্রেড করার। এবং লস হলেও আপনি ট্রাই করবেন কেন লস হলো এটা বুজতে। এভাবে একটা সময় আপনি আপনার ইমোশন টাকে নিজের কন্ট্রোলে নিয়ে আসতে পারবেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট টা আমি আমার নিজের ট্রেডিং অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছি যারা নতুন ট্রেড করছে + যারা নতুন মার্কেট এ আসবেন ভাবছেন তাদের উদ্দেশ্যে। ভুলত্রুটি হলে ক্ষমা করে দিবেন। আমি এখনো ফরেক্স এর স্টুডেন্ট। সবাই ভালো থাকবেন। নিজের মূলধন সঠিক সময় সঠিক জায়গায় Use করে লাভবান হবেন।
শেষ কথা ফরেক্স যদি আপনি বোনাস নিয়ে কাজ করেন তাহলে তুলতে পারবেন কি না সন্দেহ তবে আপনি ডেমো করে ইনভেষ্ট করুন এবং ইনভেষ্ট করলে কিছু বোনাস পাবেন যে বোনাস দিয়ে আপনি ট্রেড করতে পারবেন, এই প্রত্যাশায় আজ এই পর্যন্ত। আল্লাহ হাফেজ।
লাইভ একাউন্ট লিংকঃ https://goo.gl/yEfVus
যদি আপনার একাউন্ট ভেরিফাই না হয় তাহলে ফোন করুন ০১৯২০৩৮০৩০২ এই নাম্বারে।