গল্পঃআপুর বিয়ে (সত্য ঘটনা অবলম্বনে)
পর্বঃ০২
আপু চলে যাওয়ার পর বাড়িটা খুব খালি খালি লাগছিলো। আপু যতক্ষণ বাড়িতে থাকতো তার পুরোটা সময় আমি আপুর সাথে দুষ্টুমি করতাম আজ থেকে আর তা করতে পারবো না ভেবেই বারবার মনটা আমার খারাপ হয়ে যাচ্ছিলো। একটুপর আপুর শ্বশুর ফোন দিয়ে বললো যে তারা ঠিকমতোই বাসায় পৌঁছেছে। আর তখন আমার আপুর স্বামী (আবির ভাই) মায়ের কাছে ফোন দিয়ে মিষ্টি সুরে বললো আম্মা আপনাকে ধন্যবাদ আমার জন্য খাবার পাঠিয়ে দেয়ার জন্য আর হ্যা আম্মা রান্নাটা খুব মজার ছিলো। তার কথা শুনে আম্মা তখন হাসতেছিলো ফোনটা কেটে মা আমাকে বললো তোর দুলাভাই টা আসলেই পাগল। আমি তখন বললাম শুধু পাগল না খুব বড়ো মাপের একজন বেয়াদব ও। আব্বু তখন আমাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন যাই হোক তোর বোনকে সে ভালো রাখলেই চলে। পরদিন সকালে আপু ফোন করলে আমি ফোনটা রিসিভ করেই আপুকে জিগ্যেস করলাম আপু কেমন আছো?
-হ্যা ভালো আছি তুই কেমন আছিস?
-হ্যা ভালো কবে আসবে তুমি?
-আগামীকাল....
পরদিন দুলাভাই আপুকে নিয়ে আমাদের বাড়িতে আসে। ঐ দিন আমার দুলাভাই সবার সাথেই খুব ভালো ব্যবহার করে। এমনকি ঐদিন সে আমার সাথে আমাদের পুরো গ্রাম ঘুরে দেখে। দুপুরে খাওয়া দাওয়া শেষ করেই আমার দুলাভাই এর প্যারা উঠে যে সে এক্ষুনি বাড়ি চলে যাবে। তবে আমাদের গ্রাম্য রীতি অনুযায়ী বিয়ের পর নতুন জামাই শ্বশুরবাড়ি আসলে কমপক্ষে একদিন হলেও থাকে। কিন্তু তার এককথা সে থাকবে না চলে যাবে। মা এতোকরে বললো বাবা আজকের রাতটা থেকে যাও। কিন্তু তার এককথা সে থাকবে না চলে যাবে। আর মা তাকে এটাও বললো যে বাবা তোমার যদি কোন কাজ থাকে তাহলে তুমি যাও তবে অবন্তীকে তো রেখে যেতে পারো। তুমি না হয় কাল এসে নিয়ে যেও। কিন্তু না তিনি তার বউ কেউ রেখে যাবেন না। তিনি তখন এমন একটা ভাব দেখাচ্ছিলেন যে মনে হচ্ছিলো তিনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বউ পাগল। কি আর করার তখন বাবা বললো আচ্ছা জামাই বাবু যখন থাকবে না তাহলে আজকে চলে যাক দুই একদিন পর আবার আসলেই হয়। আপুও তার জামাই এর উপর আর কথা বললো না আপুও বললো যে আজ আমরা চলেই যাই দুই একদিন পর আবার আসবো। ঐ দিনের মতো আপুরা চলে যায়।
আর ঐ রাতেই হঠাৎ আপুর ফোন অফ হয়ে যায়। আপুর ফোনটাতে বারবার ট্রাই করা সত্ত্বেও আপুর ফোনে ফোন ঢুকছেই না আর এইদিকে আব্বু আম্মু সহ আমরা সবাই খুব চিন্তায় পড়ে গেলাম। তখন বাবা দুলাভাই এর ফোনে ফোন দিলে তার ফোনে রিং হচ্ছে কিন্তু সে কিছুতেই ফোনটা রিসিভ করছে না। তখন বাবা বাধ্য হয়ে আপুর শ্বশুরকে ফোন দিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখে যে তারা সন্ধ্যার আগেই ঠিকমতো বাসায় পোঁছে গিয়েছিলো। তখন আব্বু আপুর ফোন বন্ধের কারণ জানতে চাইলে ফোনের ওপাশ থোকে আপুর স্বামীর কন্ঠ শোনা যাচ্ছিলো। সে আব্বুকে সালাম কালাম না দিয়েই উত্তর দেয় যে আমার ফোন থাকতে ওর ফোন লাগবে কেনো?
-বাবা তোমার ফোন আছে বুঝলাম কিন্তু তুমি তো সবসময় বাসায় থাকবে না। তখন তার যদি মন চায় যে আমাদের সাথে কথা বলতে তখন সে ফোন পাবে কোথায়?(বাবা)
-আমি না থাকলে বাসায় আম্মা আছে আম্মার ফোন দিয়ে কথা বলবে...(আপুর স্বামী)
-বাবা এটা কি করে হয় এই যুগে কি ফোন ছাড়া কেউ চলতে পারে নাকি। আর সে কয়বার তোমার মায়ের কাছ থেকে ফোন চেয়ে আনবে? তারচেয়ে ভালো না তার কাছে একটা ফোন থাকুক।
-না বাবা তার কাছে কোনো ফোন থাকতে পারবে না..
-হ্যা ভালো আছি তুই কেমন আছিস?
-হ্যা ভালো কবে আসবে তুমি?
-আগামীকাল....
পরদিন দুলাভাই আপুকে নিয়ে আমাদের বাড়িতে আসে। ঐ দিন আমার দুলাভাই সবার সাথেই খুব ভালো ব্যবহার করে। এমনকি ঐদিন সে আমার সাথে আমাদের পুরো গ্রাম ঘুরে দেখে। দুপুরে খাওয়া দাওয়া শেষ করেই আমার দুলাভাই এর প্যারা উঠে যে সে এক্ষুনি বাড়ি চলে যাবে। তবে আমাদের গ্রাম্য রীতি অনুযায়ী বিয়ের পর নতুন জামাই শ্বশুরবাড়ি আসলে কমপক্ষে একদিন হলেও থাকে। কিন্তু তার এককথা সে থাকবে না চলে যাবে। মা এতোকরে বললো বাবা আজকের রাতটা থেকে যাও। কিন্তু তার এককথা সে থাকবে না চলে যাবে। আর মা তাকে এটাও বললো যে বাবা তোমার যদি কোন কাজ থাকে তাহলে তুমি যাও তবে অবন্তীকে তো রেখে যেতে পারো। তুমি না হয় কাল এসে নিয়ে যেও। কিন্তু না তিনি তার বউ কেউ রেখে যাবেন না। তিনি তখন এমন একটা ভাব দেখাচ্ছিলেন যে মনে হচ্ছিলো তিনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বউ পাগল। কি আর করার তখন বাবা বললো আচ্ছা জামাই বাবু যখন থাকবে না তাহলে আজকে চলে যাক দুই একদিন পর আবার আসলেই হয়। আপুও তার জামাই এর উপর আর কথা বললো না আপুও বললো যে আজ আমরা চলেই যাই দুই একদিন পর আবার আসবো। ঐ দিনের মতো আপুরা চলে যায়।
আর ঐ রাতেই হঠাৎ আপুর ফোন অফ হয়ে যায়। আপুর ফোনটাতে বারবার ট্রাই করা সত্ত্বেও আপুর ফোনে ফোন ঢুকছেই না আর এইদিকে আব্বু আম্মু সহ আমরা সবাই খুব চিন্তায় পড়ে গেলাম। তখন বাবা দুলাভাই এর ফোনে ফোন দিলে তার ফোনে রিং হচ্ছে কিন্তু সে কিছুতেই ফোনটা রিসিভ করছে না। তখন বাবা বাধ্য হয়ে আপুর শ্বশুরকে ফোন দিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখে যে তারা সন্ধ্যার আগেই ঠিকমতো বাসায় পোঁছে গিয়েছিলো। তখন আব্বু আপুর ফোন বন্ধের কারণ জানতে চাইলে ফোনের ওপাশ থোকে আপুর স্বামীর কন্ঠ শোনা যাচ্ছিলো। সে আব্বুকে সালাম কালাম না দিয়েই উত্তর দেয় যে আমার ফোন থাকতে ওর ফোন লাগবে কেনো?
-বাবা তোমার ফোন আছে বুঝলাম কিন্তু তুমি তো সবসময় বাসায় থাকবে না। তখন তার যদি মন চায় যে আমাদের সাথে কথা বলতে তখন সে ফোন পাবে কোথায়?(বাবা)
-আমি না থাকলে বাসায় আম্মা আছে আম্মার ফোন দিয়ে কথা বলবে...(আপুর স্বামী)
-বাবা এটা কি করে হয় এই যুগে কি ফোন ছাড়া কেউ চলতে পারে নাকি। আর সে কয়বার তোমার মায়ের কাছ থেকে ফোন চেয়ে আনবে? তারচেয়ে ভালো না তার কাছে একটা ফোন থাকুক।
-না বাবা তার কাছে কোনো ফোন থাকতে পারবে না..
এটা নিয়ে রীতিমত আব্বু আর আপুর স্বামীর মধ্যে ঝগড়া বেধে যাচ্ছিলো। তখন শুনতে পেলাম ফোনের ওপাশ থেকে আপু বলছে বাবা আমার ফোন লাগবে না। আবির যা বলছে তা আমার ভালোর জন্যই বলছে। আর আমার সিমটা আমি পানিতে ফেলে দিছি আমার ফোন লাগবে না বাবা। আমি আবিরের ফোন থেকেই তোমাদেরকে ফোন দিবো। আপুই যখন এটা বলেছে তখন বাবা আর কথা না বাড়িয়ে ভালো থাকিস বলে ফোনটা কেটে দেয়.......
আব্বু ফোনে কথা বলার সময় আমি আর মা পাশেই ছিলাম আর তখন ভাইয়া ছিলো পাশের রুমে। আর ঐ রুম থেকে সবকিছুই স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিলো। ভাইয়া চুপচাপ সব শুনে যাচ্ছিলো। আর হ্যা বলে রাখি ভাইয়ার এই বিয়েতে এতোটা মত ছিলো না। ভাইয়া তখন পাশের রুম থেকে এই রুমে এসে চোখ মুখ গরম করে বলছে আমি আগেই নিষেধ করছিলাম এই ছেলের সাথে আমার বোনকে বিয়ে দিবো না। কিন্তু কে শুনে কার কথা আমার বোনটারও তাকেই চাই আর তোমরাও ঐ ছেলের কাছেই মেয়ে বিয়ে দিবে। এখন সবাই মজা বুঝো বলেই রাগ করে ভাইয়া বাইরে চলে গেলো......
আব্বু ফোনে কথা বলার সময় আমি আর মা পাশেই ছিলাম আর তখন ভাইয়া ছিলো পাশের রুমে। আর ঐ রুম থেকে সবকিছুই স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিলো। ভাইয়া চুপচাপ সব শুনে যাচ্ছিলো। আর হ্যা বলে রাখি ভাইয়ার এই বিয়েতে এতোটা মত ছিলো না। ভাইয়া তখন পাশের রুম থেকে এই রুমে এসে চোখ মুখ গরম করে বলছে আমি আগেই নিষেধ করছিলাম এই ছেলের সাথে আমার বোনকে বিয়ে দিবো না। কিন্তু কে শুনে কার কথা আমার বোনটারও তাকেই চাই আর তোমরাও ঐ ছেলের কাছেই মেয়ে বিয়ে দিবে। এখন সবাই মজা বুঝো বলেই রাগ করে ভাইয়া বাইরে চলে গেলো......
চলেবে........
No comments:
Post a Comment