গল্পঃআপুর বিয়ে(সত্য ঘটনা অবলম্বনে)
পর্বঃ০৫
তারপর তিনদিনের দিন রাতে হঠাৎ মায়ের ফোনে আপুর স্বামীর ফোন আসে। মা ফোনটা রিসিভ করলে আপুর স্বামী মা কে সালাম দিয়ে নরম গলায় বলে যে সন্ধ্যার পর থেকে আপুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তখন মা গরম হয়ে গিয়ে তাকে বলে আমি এতো কিছু জানি না আমার মেয়ের যদি কিছু হয় তাহলে তোমার খবর আছে। বাবাও তখন আপুর স্বামীকে ধমকায় এবং আপুর সন্ধান চায়। একটুপর আপুর শ্বশুর বাবার ফোনে ফোন দিয়ে বলে ভাই তোমার মেয়েকে আমরা খুঁজে পাচ্ছি না। সন্ধায় আবির বাচ্চাদের পড়াচ্ছিলো পড়ানো শেষ করে রুমে গিয়ে দেখে অবন্তী রুমে নেই। তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বাবা খুব সহজে রাগেন না তখন বাবা প্রচন্ড রেগে গিয়ে আপুর শ্বশুরকে বলেন "তোমার ছেলের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে আমার মেয়ে বাড়ি ছাড়ছে। আমি এতোদিন শুধু মেয়ের নিষেধের কারনে কিছু বলিনি। এখন যদি আমার মেয়ের কিছু হয় তাহলে তোমাদের খবর আছে".....
আমি ভাইয়াকে ফোন দিয়ে এই সংবাদ জানানোর পর ভাইয়াও আপুর স্বামীকে থ্রেট করে। বিয়ের আগে থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এই প্রথম আপুর স্বামীর সাথে ভাইয়ার কথা হয়।
এইদিকে আমরা সবাই টেনশন করতেছি কারন আপুর স্বামী ফোন দেয়ার পর থেকে একঘন্টার বেশি হয়ে গেছে। এখনো আপুর কোন খোঁজ পেলাম না। যতো আত্মীয়স্বজন আছে সবাইকে ফোন দিলাম। কিন্তু আপু কারো বাসায় যায় নি। এমনি মায়ের ফোনে একটা অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসে। তা রিসিভ করে জানতে পারি আপু এখন রুপা আপুর বাসায় যাচ্ছে। আর কোন একটা দোকান থেকে মাকে কল করেছে এবং আপাতত আপু কয়েকটাদিন রুপা আপুর বাসায় থাকবে। আর হ্যা রুপা আপুর বিয়ে হয়ে গিয়েছিলো এবং তার একটা ছোট ছেলেও আছে। আপুর ফোন পেয়ে আমরা কিছুটা চিন্তামুক্ত হলাম। ঐ দিকে আপুর শ্বশুরবাড়ি থেকে বারবার ফোন আসতেছে আমরা আপুর কোন খোঁজ পেয়েছি কি না তা জানার জন্য। কিন্তু আমরা যে আপুর খোঁজ পেয়েছি তা তাদেরকে না জানিয়ে উল্টো তাদেরকে প্রেশারে রাখি এবং বলি যে করেই হোক আপুকে ওরা খুঁজে বের করে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসতে।
রাত প্রায় এগারোটার সময় রুপা আপু ফোন দিয়ে বলে টেনশন করা লাগবে না আপু ঠিকমতোই বাসায় পৌঁছেছে। এভাবে কাটে চারদিন আর এই চারদিনে কমপক্ষে কয়েকশত বার আপুর শ্বশুরবাড়ি থেকে আপুর খোঁজ জানার জন্য ফোন আসে। কিন্তু আমরা প্রত্যেকবারই বলে দিছি না আমরা আপুর কোন খোঁজ জানি না। আর আমরা খুঁজতেছি কিন্তু খুঁজে পাচ্ছি না আপনারা যেভাবেই হোক আপুকে খোঁজে বের করে আমাদের কাছে নিয়ে আসবেন।
চারদিন পর বাবা রুপা আপুর বাসায় গিয়ে আপুকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসে। আপুকে দেখে মা হাউমাউ করে কান্না করে দেয়। কারন আপুর এতো সুন্দর মায়াবী চেহারার এখন কি অবস্থা হয়েছে।
আমি ভাইয়াকে ফোন দিয়ে এই সংবাদ জানানোর পর ভাইয়াও আপুর স্বামীকে থ্রেট করে। বিয়ের আগে থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এই প্রথম আপুর স্বামীর সাথে ভাইয়ার কথা হয়।
এইদিকে আমরা সবাই টেনশন করতেছি কারন আপুর স্বামী ফোন দেয়ার পর থেকে একঘন্টার বেশি হয়ে গেছে। এখনো আপুর কোন খোঁজ পেলাম না। যতো আত্মীয়স্বজন আছে সবাইকে ফোন দিলাম। কিন্তু আপু কারো বাসায় যায় নি। এমনি মায়ের ফোনে একটা অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসে। তা রিসিভ করে জানতে পারি আপু এখন রুপা আপুর বাসায় যাচ্ছে। আর কোন একটা দোকান থেকে মাকে কল করেছে এবং আপাতত আপু কয়েকটাদিন রুপা আপুর বাসায় থাকবে। আর হ্যা রুপা আপুর বিয়ে হয়ে গিয়েছিলো এবং তার একটা ছোট ছেলেও আছে। আপুর ফোন পেয়ে আমরা কিছুটা চিন্তামুক্ত হলাম। ঐ দিকে আপুর শ্বশুরবাড়ি থেকে বারবার ফোন আসতেছে আমরা আপুর কোন খোঁজ পেয়েছি কি না তা জানার জন্য। কিন্তু আমরা যে আপুর খোঁজ পেয়েছি তা তাদেরকে না জানিয়ে উল্টো তাদেরকে প্রেশারে রাখি এবং বলি যে করেই হোক আপুকে ওরা খুঁজে বের করে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসতে।
রাত প্রায় এগারোটার সময় রুপা আপু ফোন দিয়ে বলে টেনশন করা লাগবে না আপু ঠিকমতোই বাসায় পৌঁছেছে। এভাবে কাটে চারদিন আর এই চারদিনে কমপক্ষে কয়েকশত বার আপুর শ্বশুরবাড়ি থেকে আপুর খোঁজ জানার জন্য ফোন আসে। কিন্তু আমরা প্রত্যেকবারই বলে দিছি না আমরা আপুর কোন খোঁজ জানি না। আর আমরা খুঁজতেছি কিন্তু খুঁজে পাচ্ছি না আপনারা যেভাবেই হোক আপুকে খোঁজে বের করে আমাদের কাছে নিয়ে আসবেন।
চারদিন পর বাবা রুপা আপুর বাসায় গিয়ে আপুকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসে। আপুকে দেখে মা হাউমাউ করে কান্না করে দেয়। কারন আপুর এতো সুন্দর মায়াবী চেহারার এখন কি অবস্থা হয়েছে।
আপুর মুখ শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে এবং শরীর অনেক শুকিয়ে অবস্থা খারাপ। মনে হচ্ছে যেনো আপু এইমাত্র কোন কারাগার থেকে বেরিয়ে আসছে। আর আপুর শ্বশুরবাড়ি আপুর জন্য কারাগারের থেকে আরো বেশি যন্থনাদায়ক ছিলো।
আপু বাড়ি আসলে আপুর মুখে শুনতে পারি আপুর উপর নির্মম নির্যাতনের বর্ণনাঃ- আপুকে একদম অবরুদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়েছিলো। কারো সাথে কোন যোগাযোগ করতে দেয়া হয়নি এবং আপুকে বলা হয়েছিলো যে আপু বাবার বাড়ির কারো সাথে কোন যোগাযোগ রাখতে পারবেনা। আপু এর কারণ জিগ্যেস করলে আপুর স্বামী নাকি বলেছিলো এটা আমার নিষেধ তাই পারবিনা। আর হ্যা আপুকে তুই তুকারী করতো। আর আপুর ফোনটা সে ভেঙে ফেলেছিলো আর সিমটা পানিতে ফেলে দিয়েছিলো। আপুকে সে মারধর ও করেছিলো একদিন রাতে নাকি আপুকে বালিশ চাপা দিয়ে মেরেও ফেলতে চেয়েছিলো!!তখন আপুর শ্বশুর এসে আপুকে বাঁচায়।
আপু কথাগুলো বলার সময় খেয়াল করছিলাম আপুর চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে গাল বেয়ে টপটপ করে পানি পড়তেছিলো।
আপু আবির ভাইকে(আপুর স্বামী) অনেক বেশি ভালোবাসতো। আমরা আপুর স্বামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে গেলে আপু তাও করতে দেয় নি। আর এই কয়দিনের প্রতিদিনই আপুর শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন আসতো। আপু বাড়ি আসার পরেরদিন আপু মাকে ডেকে বলে আপু যে বাড়ি আসছে এটা তার স্বামীকে বলে দেওয়ার জন্য।
বাবা মা ভাইয়া সবাই বলছে যে না তাকে আমরা প্রেশারে রাখবো কিন্তু আপুর অনুরোধে বলে দেয়া হয় আপু আমাদের বাড়িতেই আছে। আপুর স্বামীকে তার সাথে সাথে এটাও বলে দেয়া হয় যে কখনো যেনো সে এবং তার পরিবারের কেউ আমাদের কাউকে ফোন না দেয় এবং আপু আর তার সংসার করছে না এটাও তাকে বলে দেয়া হয়। আর তাকে এটাও বলে দেয়া তার কাছে খুব শীঘ্রই ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দেয়া হবে।
তারপর থেকে শুরু হয় আপুর স্বামীর কান্নাকাটি সে বারবার ফোন দিতে থাকে মা একবার ফোন ধরলে সে ফোনেই মার হাতে পায়ে ধরা শুরু করে এবং বারবার মায়ের ফোনে মেসেজ করতে থাকে। আর মেসেজগুলো সে আপুর উদ্দেশ্যে লিখে। যদিও এই মেসেজগুলোর একটা মেসেজও আপুকে পড়তে দেয়া হয় নি। ভাইয়া তাকে ফোন দিয়ে আমাদেরকে আর ফোন না দেয়ার জন্য অনুরোধ ও করে।কিন্তু কে শোনে কার কথা সে বারবার ফোন এবং মেসেজ করতেই থাকে। অবশেষে বিরক্ত হয়ে তাকে ব্লক করে দেয়া হয়। তাকে ব্লক করে দেয়ার পর সে আপুর শ্বাশুড়ির নাম্বার দিয়ে বিরক্ত করা শুরু করে। তখন বাধ্য হয়ে আপু শ্বাশুড়িকেও ব্লক করা হয়। আর হ্যা এর মাঝে আপুর শ্বশুর কয়েকবার ফোন করে বাবার কাছে ক্ষমা চায় এবং আপুকে ফেরত নিতে চাইলে বাবা তাকে না বলে দেয়া হয়।
প্রথম কয়েকদিন আপুর হাতে কোন ফোন দেয়া হয় নি এক সপ্তাহ পরে ভাইয়া একটা নতুন সিম আর একটা ফোন কিনে আপুকে দেয়। আপুর হাতে ফোন দিয়ে আপুকে শর্ত দেয়া হয় আপু আত্মীয় স্বজন ছাড়া আর কাউকে ফোন দিতে পারবে না। আপুর হাতে ফোন দেয়ার দুইদিন পরে আপুর স্বামী অন্য একটা নাম্বার দিয়ে মায়ের ফোনে অনেক অনেক মেসেজ করে এবং সে মেসেজে এটাও লিখে"অবন্তী আমি তোমাকে না পেলে বাঁচবো না,আমি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের বেডে। মরার আগে একটিবার তোমার মুখ দেখতে চাই " আর এই মেসেজ টা কি করে যেনো আপু দেখে ফেলে। এই মেসেজ দেখার পর আপুর মন হালকা নরম হয়ে গেলে আপু সবার অগোচরে আবির ভাইকে মেসেজ করা শুরু করে। আর আপু যে আবির ভাইকে মেসেজ করতো আমরা কেউ সেটা জানতাম না। যদিও পড়ে জানতে পারছি। তার দুইদিন পর এক দুপুরবেলা আমি আর মা রুমে বসে আছি আর আপু তখন পাশের বাসার চাচীর রুমে ছিলো ঠিক তখন হঠাৎ শুনতে পেলাম কে যেনো বাইরে উঠানে দাড়িয়ে খুব করুণ সুরে অবন্তী অবন্তী বলে ডাকছে। ডাক শুনে আমি আর মা দৌড়ে বাইরে বের হই.....
আপু বাড়ি আসলে আপুর মুখে শুনতে পারি আপুর উপর নির্মম নির্যাতনের বর্ণনাঃ- আপুকে একদম অবরুদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়েছিলো। কারো সাথে কোন যোগাযোগ করতে দেয়া হয়নি এবং আপুকে বলা হয়েছিলো যে আপু বাবার বাড়ির কারো সাথে কোন যোগাযোগ রাখতে পারবেনা। আপু এর কারণ জিগ্যেস করলে আপুর স্বামী নাকি বলেছিলো এটা আমার নিষেধ তাই পারবিনা। আর হ্যা আপুকে তুই তুকারী করতো। আর আপুর ফোনটা সে ভেঙে ফেলেছিলো আর সিমটা পানিতে ফেলে দিয়েছিলো। আপুকে সে মারধর ও করেছিলো একদিন রাতে নাকি আপুকে বালিশ চাপা দিয়ে মেরেও ফেলতে চেয়েছিলো!!তখন আপুর শ্বশুর এসে আপুকে বাঁচায়।
আপু কথাগুলো বলার সময় খেয়াল করছিলাম আপুর চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে গাল বেয়ে টপটপ করে পানি পড়তেছিলো।
আপু আবির ভাইকে(আপুর স্বামী) অনেক বেশি ভালোবাসতো। আমরা আপুর স্বামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে গেলে আপু তাও করতে দেয় নি। আর এই কয়দিনের প্রতিদিনই আপুর শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন আসতো। আপু বাড়ি আসার পরেরদিন আপু মাকে ডেকে বলে আপু যে বাড়ি আসছে এটা তার স্বামীকে বলে দেওয়ার জন্য।
বাবা মা ভাইয়া সবাই বলছে যে না তাকে আমরা প্রেশারে রাখবো কিন্তু আপুর অনুরোধে বলে দেয়া হয় আপু আমাদের বাড়িতেই আছে। আপুর স্বামীকে তার সাথে সাথে এটাও বলে দেয়া হয় যে কখনো যেনো সে এবং তার পরিবারের কেউ আমাদের কাউকে ফোন না দেয় এবং আপু আর তার সংসার করছে না এটাও তাকে বলে দেয়া হয়। আর তাকে এটাও বলে দেয়া তার কাছে খুব শীঘ্রই ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দেয়া হবে।
তারপর থেকে শুরু হয় আপুর স্বামীর কান্নাকাটি সে বারবার ফোন দিতে থাকে মা একবার ফোন ধরলে সে ফোনেই মার হাতে পায়ে ধরা শুরু করে এবং বারবার মায়ের ফোনে মেসেজ করতে থাকে। আর মেসেজগুলো সে আপুর উদ্দেশ্যে লিখে। যদিও এই মেসেজগুলোর একটা মেসেজও আপুকে পড়তে দেয়া হয় নি। ভাইয়া তাকে ফোন দিয়ে আমাদেরকে আর ফোন না দেয়ার জন্য অনুরোধ ও করে।কিন্তু কে শোনে কার কথা সে বারবার ফোন এবং মেসেজ করতেই থাকে। অবশেষে বিরক্ত হয়ে তাকে ব্লক করে দেয়া হয়। তাকে ব্লক করে দেয়ার পর সে আপুর শ্বাশুড়ির নাম্বার দিয়ে বিরক্ত করা শুরু করে। তখন বাধ্য হয়ে আপু শ্বাশুড়িকেও ব্লক করা হয়। আর হ্যা এর মাঝে আপুর শ্বশুর কয়েকবার ফোন করে বাবার কাছে ক্ষমা চায় এবং আপুকে ফেরত নিতে চাইলে বাবা তাকে না বলে দেয়া হয়।
প্রথম কয়েকদিন আপুর হাতে কোন ফোন দেয়া হয় নি এক সপ্তাহ পরে ভাইয়া একটা নতুন সিম আর একটা ফোন কিনে আপুকে দেয়। আপুর হাতে ফোন দিয়ে আপুকে শর্ত দেয়া হয় আপু আত্মীয় স্বজন ছাড়া আর কাউকে ফোন দিতে পারবে না। আপুর হাতে ফোন দেয়ার দুইদিন পরে আপুর স্বামী অন্য একটা নাম্বার দিয়ে মায়ের ফোনে অনেক অনেক মেসেজ করে এবং সে মেসেজে এটাও লিখে"অবন্তী আমি তোমাকে না পেলে বাঁচবো না,আমি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের বেডে। মরার আগে একটিবার তোমার মুখ দেখতে চাই " আর এই মেসেজ টা কি করে যেনো আপু দেখে ফেলে। এই মেসেজ দেখার পর আপুর মন হালকা নরম হয়ে গেলে আপু সবার অগোচরে আবির ভাইকে মেসেজ করা শুরু করে। আর আপু যে আবির ভাইকে মেসেজ করতো আমরা কেউ সেটা জানতাম না। যদিও পড়ে জানতে পারছি। তার দুইদিন পর এক দুপুরবেলা আমি আর মা রুমে বসে আছি আর আপু তখন পাশের বাসার চাচীর রুমে ছিলো ঠিক তখন হঠাৎ শুনতে পেলাম কে যেনো বাইরে উঠানে দাড়িয়ে খুব করুণ সুরে অবন্তী অবন্তী বলে ডাকছে। ডাক শুনে আমি আর মা দৌড়ে বাইরে বের হই.....
চলবে....
No comments:
Post a Comment